ঢাকা ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুলাউড়া থানা পুলিশের অভিযানে ১৪ হাজার শলাকা ভারতীয় নাসিরুদ্দিন বিড়ি উদ্ধার কুলাউড়ায় বিজয় মালাকারের মৃত্যুর ৬–৭ মাস পরও বিচার না পাওয়ার অভিযোগ পরিবারের কুরপান আলী নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাঠের ভোটযুদ্ধ শুরু কোন কোন আসনে লড়বে জাতীয় পার্টি, তালিকা প্রকাশ জামায়াতে ইসলামীর জনসমাবেশ ও নির্বাচনি প্রচারণা শুরু সরকারে গেলে নবীর ন্যায়পরায়ণতার ভিত্তিতে দেশ পরিচালনা করব: তারেক রহমান নির্বাচনে ‘সহজ আসন’ কম, সর্বোচ্চ প্রতিদ্বন্দ্বী ৩১ কেন্দ্রে হাদির কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে এনসিপির নির্বাচনি প্রচার শুরু পছন্দের প্রতীক পেয়ে যা বললেন তাসনিম জারা জোটের ভোটের রাজনীতির হিসাব পাল্টে গেল!
সংবাদ শিরোনাম ::
কুলাউড়া থানা পুলিশের অভিযানে ১৪ হাজার শলাকা ভারতীয় নাসিরুদ্দিন বিড়ি উদ্ধার কুলাউড়ায় বিজয় মালাকারের মৃত্যুর ৬–৭ মাস পরও বিচার না পাওয়ার অভিযোগ পরিবারের কুরপান আলী নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাঠের ভোটযুদ্ধ শুরু কোন কোন আসনে লড়বে জাতীয় পার্টি, তালিকা প্রকাশ জামায়াতে ইসলামীর জনসমাবেশ ও নির্বাচনি প্রচারণা শুরু সরকারে গেলে নবীর ন্যায়পরায়ণতার ভিত্তিতে দেশ পরিচালনা করব: তারেক রহমান নির্বাচনে ‘সহজ আসন’ কম, সর্বোচ্চ প্রতিদ্বন্দ্বী ৩১ কেন্দ্রে হাদির কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে এনসিপির নির্বাচনি প্রচার শুরু পছন্দের প্রতীক পেয়ে যা বললেন তাসনিম জারা জোটের ভোটের রাজনীতির হিসাব পাল্টে গেল!

গভর্ন্যান্স ব্যর্থতায় ব্যাংক খাত থেকে তিন লাখ কোটি টাকা পাচার

ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট সময় : ০৬:১৩:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬ ১৩০ বার পড়া হয়েছে

গভর্ন্যান্স ব্যর্থতা ও চেক অ্যান্ড ব্যালেন্সের অভাবে তিন লাখ কোটি টাকার মতো দেশ থেকে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেন, অবৈধভাবে ব্যক্তি ও সরকারি নির্দেশে ঋণ দেওয়ার ফলে ব্যাংকের গভর্ন্যান্স সিস্টেম নষ্ট হয়েছে। বুধবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ব্যাংকিং খাত: বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক লোকবক্তৃতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

ব্যাংকের সংখ্যা প্রসঙ্গে গভর্নর বলেন, দেশে ১০ থেকে ১৫টি ব্যাংক থাকলেই যথেষ্ট হতো; কিন্তু বর্তমানে ব্যাংক রয়েছে ৬৪টি। অতিরিক্ত ব্যাংকের কারণে প্রশাসনিক জটিলতা ও ব্যয় বেড়েছে। ব্যাংকের সংখ্যা কমলে ব্যয় কমবে এবং লাভজনক বেশি হবে। তিনি বলেন, সিঙ্গাপুরের একটি ব্যাংকের আয় বাংলাদেশের সব ব্যাংকের সম্মিলিত আয়ের সমান।

গভর্নর বলেন, দেশের ব্যাংক খাতের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো গভর্ন্যান্স ফেইলর। সরকার ও প্রভাবশালী ব্যক্তি বা পরিবারের নির্দেশে ঋণ দেওয়া হয়েছে। এর পেছনে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অবহেলা রয়েছে, যা অস্বীকার করার উপায় নেই। বর্তমানে ব্যাংকের দুরবস্থার কারণ হলো ব্যাংকগুলোর মালিকানা ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। যেমন: ইসলামি ৫টি ব্যাংক এক করা হলো। সবকটি ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। ব্যাংকগুলোয় চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স না থাকায় তিন লাখ কোটি টাকার মতো দেশ থেকে চলে গেছে।

ড. আহসান এইচ মনসুর আরও বলেন, পৃথিবীতে চারটি খাতের মধ্যে ব্যাংকিং খাত রয়েছে তৃতীয় স্থানে। তবে বাংলাদেশে এর অবস্থান প্রথম। ফলে বাংলাদেশে অন্যান্য আর্থিক খাত ক্ষতির অবস্থানে রয়েছে। এখন আমাদের ভালো অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হবে। ‎

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম বলেন, একটা ধ্বংসপ্রাপ্ত খাতকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন আমাদের বর্তমান গভর্নর। অর্থের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক নিবিড়। সবাই জানে অর্থই অনর্থের মূল। সেটা আমরা কিছুদিন আগে লক্ষ করলাম। ‎

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অর্থনীতি সমিতির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, সদস্য সচিব ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

গভর্ন্যান্স ব্যর্থতায় ব্যাংক খাত থেকে তিন লাখ কোটি টাকা পাচার

আপডেট সময় : ০৬:১৩:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

গভর্ন্যান্স ব্যর্থতা ও চেক অ্যান্ড ব্যালেন্সের অভাবে তিন লাখ কোটি টাকার মতো দেশ থেকে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেন, অবৈধভাবে ব্যক্তি ও সরকারি নির্দেশে ঋণ দেওয়ার ফলে ব্যাংকের গভর্ন্যান্স সিস্টেম নষ্ট হয়েছে। বুধবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ব্যাংকিং খাত: বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক লোকবক্তৃতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

ব্যাংকের সংখ্যা প্রসঙ্গে গভর্নর বলেন, দেশে ১০ থেকে ১৫টি ব্যাংক থাকলেই যথেষ্ট হতো; কিন্তু বর্তমানে ব্যাংক রয়েছে ৬৪টি। অতিরিক্ত ব্যাংকের কারণে প্রশাসনিক জটিলতা ও ব্যয় বেড়েছে। ব্যাংকের সংখ্যা কমলে ব্যয় কমবে এবং লাভজনক বেশি হবে। তিনি বলেন, সিঙ্গাপুরের একটি ব্যাংকের আয় বাংলাদেশের সব ব্যাংকের সম্মিলিত আয়ের সমান।

গভর্নর বলেন, দেশের ব্যাংক খাতের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো গভর্ন্যান্স ফেইলর। সরকার ও প্রভাবশালী ব্যক্তি বা পরিবারের নির্দেশে ঋণ দেওয়া হয়েছে। এর পেছনে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অবহেলা রয়েছে, যা অস্বীকার করার উপায় নেই। বর্তমানে ব্যাংকের দুরবস্থার কারণ হলো ব্যাংকগুলোর মালিকানা ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। যেমন: ইসলামি ৫টি ব্যাংক এক করা হলো। সবকটি ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। ব্যাংকগুলোয় চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স না থাকায় তিন লাখ কোটি টাকার মতো দেশ থেকে চলে গেছে।

ড. আহসান এইচ মনসুর আরও বলেন, পৃথিবীতে চারটি খাতের মধ্যে ব্যাংকিং খাত রয়েছে তৃতীয় স্থানে। তবে বাংলাদেশে এর অবস্থান প্রথম। ফলে বাংলাদেশে অন্যান্য আর্থিক খাত ক্ষতির অবস্থানে রয়েছে। এখন আমাদের ভালো অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হবে। ‎

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম বলেন, একটা ধ্বংসপ্রাপ্ত খাতকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন আমাদের বর্তমান গভর্নর। অর্থের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক নিবিড়। সবাই জানে অর্থই অনর্থের মূল। সেটা আমরা কিছুদিন আগে লক্ষ করলাম। ‎

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অর্থনীতি সমিতির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ, সদস্য সচিব ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন প্রমুখ।